April 6, 2026, 7:54 pm
শিরোনাম :
সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে আপোষহীন, পরিশ্রমী ও ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব প্রয়োজন হাতে লিখে জন্ম সনদ জালিয়াতি শিক্ষক মিজানের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ অদক্ষ আইনজীবীর ভুল চালে ধ্বংসের মুখে একটি পরিবার: মাহিনুর বেগম ও তার সন্তানদের অন্ধকার ভবিষ্যৎ ১৫ বছর পর নোয়াখালী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কারাতে কোচ হলেন আশরাফুল আলম সুমন নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত হলেন হারুনুর রশিদ আজাদ বর্নাঢ্য আয়োজনে হিল্লোল শিল্পীগোষ্ঠীর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আগামি সুন্দর চর দরবেশ গড়তে সহযোগীতা দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী রাশেদুল হাসান রাশেদ লোন অ্যাপের নামে মানুষকে ব্ল্যাক মেইলিং ও হয়রানী নোয়াখালী জেলা আ.লীগের কার্যালয়ে তালা দিল জাতীয়তাবাদী যুবদল, আটক ৫ নোয়াখালীর ৫টিতে বিএনপি, একটিতে এনসিপির জয়লাভ

হাতে লিখে জন্ম সনদ জালিয়াতি শিক্ষক মিজানের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

খবির চৌধুরী

খবির চৌধুরী:
জন্মসনদ একটি গুত্বপূর্ন সরকারী নথি যা একটা বংশের পরিচয় বহন করে । নিজের দাবী করা পিতাকে অন্যের পিতার পরিচিতি বাস্তবায়নে স্বহস্তে লেখা জন্মসনদ জালিয়াতি আইনের আওতায় এখন মিজান । তিনি খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সহকারী শিক্ষক । একাধারেঅষ্টম শ্রেনী ও জেএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য Spark Commiunicative English Grammar & Composition গাইড বইটির প্রনেতা M.R.Choudhury .
নোয়াখালী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাকাজে লাগিয়ে এম.আর. চৌধুরী মিজান ৫/৭/২০০৮ সালে ব্যক্তিগত পরিচিতি নং ১৯৭১৭৫১৮৭২৫০২২৫৯৫ জন্ম সনদটি মুসাবিধা করেন। তিনি সিরাজুল হকের পুত্র রেজাঊল হক লিটনকে আলী আহমেদ চৌধুরীর পুত্র সন্তান পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজদায়িত্বে জন্মসনদ তৈরীর সকল প্রক্রিয়া সম্পাদন করেছেন । একই সাথে একদিনে ৫নং বিনোদপুর ইউনিয়নের রেজিষ্ট্রি বহির তালিকায় ২২৫৯১থেকে ২২৫৯৭ মোট ৭টিজন্মসনদ মিজানের ছোট ভাই মশিউর রহমান রাকিব নিজে সংগ্রহ করেন। পরিকল্পিত ভাবে সম্পত্তি আতœসাৎ এর উদ্দেশ্যে মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর প্রকৃত মাতার নাম বাদ দিয়ে মিজান নিজ মাতা মাহিনুর বেগমের নাম লিপিবদ্ধ করেন বলে অভিযোগে জানা যায়।

রেজাউল হক লিটন শিক্ষক মিজানের তৈরী করা জন্মসনদ ব্যবহার করে নোয়াখালী সদরে ব্যক্তি ও একাধিক সরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে জালজালিয়াতি করেছেন । জন্মসনদ জালিয়াতির তথ্য প্রকাশ্যে না এনে ধামাচপা দিতে মারিয়া হয়ে ওঠেন শিক্ষক মিজানের ছোট ভাই গ্লোবাল টিভির মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার আতাউর রহমান চৌধুরী রাজিব । তিনি শিক্ষক মিজানের পরিকল্পনায় কাল্পনিক অভিযোগ সাজিয়ে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের ডোনার ও প্রাক্তন সদস্য খবির চৌধুরীর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপতৎপরতা চালিয়ে যান। রাজিব কর্মস্থলের অনৈক প্রভাব খাটিয়ে মফস্বল জুনিয়র রিপোর্টারদেরকেসত্যতথ্য আড়ালকরে সাংবাদিক খবির চৌধুরীর শশুরালয়ের আবাসিক ভবনে অনাকাঙ্খিত পরিবেশের সৃষ্টি করায় তিব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক শিহাব উদ্দিন টিপু, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বাসস)এর নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি দৈনিক জনতার অধিকারের প্রকাশক ও সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক সহ আরো অনেকে ।

সূত্রে জানা যায়, মাহিনূর বেগমলাইলী শিক্ষক মিজানের গর্ভধারিনী মাতা । তিনি নোয়াখালী সদরের লক্ষীনারায়নপুর গ্রামের সিরাজুল হকের সাথে ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন সময়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । গত ১৫/১২/২০২৪ইং নোয়খালী সদরের ৪নং কাদির হানিফ ইউনিয়নের কাজী মোঃ সামছুদ্দিন প্রকাশ বাদশা কাজীরনিকট থেকে নিজেকে তালাকপ্রাপ্তা উল্লেখ করে ১০/৮/১৯৭৫ইং সনে মৃত বড় ভগ্নির পতির সাথে বিবাহ হয়েছেদাবী করে ২০০৯ সালের বিধি মালার ফরমে নিকাহনামা সংগ্রহ করে বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন (১৯৭৪ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী ১৯৭৫ সালে সকল বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক জেনেও তিনি তালাকের কোন প্রমানাধি বিজ্ঞ আদালতে কিংবা সামাজিকভাবে উপস্থাপন না করায় নোয়াখালী জজকোর্টের সিনিয়র এডভোকেট মোহাম্মদ ফারুক ২৫/৩/২০২৫ইংশিক্ষক মিজানুর রহমান, তার মাতা মাহিনুর বেগম লাইলী সহ ৫ জনকে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার,সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, পৌর মেয়র, চেয়ারম্যান ৫নং বিনোদপুন ইউনিয়ন, সভাপতি নোয়াখালী প্রেসক্লাব ও জেলা নির্বাচন অফিসার বরাবরে অনুলিপি প্রদান করেন।