নোয়াখালীতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও পৈত্রিক বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে স্থাপনার ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে রবিউল হক গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুধারাম থানায় জিডি করেও প্রতিকার না পাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রবিউল হক গং তাদের পৈত্রিক বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সুধারাম থানাকে অবহিত করা হয় এবং এ ঘটনায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে।
তবে অভিযোগের পরও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি, আদালতের আদেশ অমান্য করে যেন কেউ পৈত্রিক সম্পত্তিতে প্রবেশ, ভাঙচুর বা কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, বর্তমানে তারা ও তাদের স্বজনরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। ভবিষ্যতে পরিবারের কোনো সদস্যের জানমাল, সম্পদ বা নিরাপত্তার ক্ষতি হলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা, উসকানি কিংবা সমর্থনকারীদের ভূমিকা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী দায় নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ অবস্থায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর, পৈত্রিক সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ ও ভাঙচুর বন্ধ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুধারাম থানা, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো সংঘাত বা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চান না। আদালতের আদেশ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ ও আইনগত প্রক্রিয়ায় বিষয়টির সমাধান এবং ন্যায়বিচার চান তারা।