মোঃ আনোয়ার হোসেন বাপ্পী।।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মমতাময়ী মা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার ও দুই বার জেল খেটেছিলেন ও দীর্ঘ ১১ বছর জন্মস্হান হাতিয়া ছাড়া হয়েছিলো জুয়েল খান। তবু টানা তৃতীয়বারের মতো ছাত্রদলে পদবঞ্চিত হন তিনি। গত ২রা মে ঘোষিত ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতেও স্থান হয়নি তার। তখন জুয়েল খান বলেছিলেন, আমি আশাবাদী, আমাদের আশা আকাঙ্খার প্রতীক তারেক রহমান আমাকে মূল্যায়িত করবেন।


এরপর গতকাল দুপুরে জুয়েলকে সচিবালয়ে নিজ অফিসে ডাকেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সময় ধরে জুয়েলের কাছ থেকে শুনেন তার রাজপথের ত্যাগ ও বর্তমান তৃণমূলের হতাশার গল্প। তখন প্রধানমন্ত্রী জুয়েলকে আশ্বস্ত করে জানান, তিনি সবকিছু অবগত আছেন, পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন।
জুয়েল খান সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগাপ্লুত কন্ঠে বলেন, একটি সংগঠন বা রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি তার তৃণমূলের ত্যাগী, নিবেদিতপ্রাণ ও পরিশ্রমী কর্মীরা। কঠিন সময়ে যাঁরা আদর্শকে বুকে ধারণ করে নিরলসভাবে মাঠে থাকেন, যারা রাজপথ থেকে পালিয়ে যায়না তাঁদের অবদানই একটি সংগঠনের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে।
আমার দীর্ঘদিনের শ্রম, ত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাতের সুযোগ দিয়েছেন এটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সম্মান নয়, বরং তৃণমূলের সকল নিবেদিত কর্মীর জন্যও একটি অনুপ্রেরণার বার্তা।
আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনেও তৃণমূলের ত্যাগী ও পরিশ্রমী কর্মীদের খোঁজখবর রাখবেন, তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তাঁদের সম্পৃক্ত রাখবেন।
মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করি তিনি যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার তাওফিক দান করেন।
আমার জীবনের এই স্মরণীয় ও গৌরবময় মুহূর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও গভীর শ্রদ্ধা।